১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ইরানের হামলায় পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ‘২২৮ সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে’

যুক্তরাষ্ট্র যতোটা প্রকাশ করেছে ধ্বংসের ব্যাপকতা তার চেয়ে আরও অনেক বেশি বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট।

ইরানের হামলায় পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ‘২২৮ সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে’
ইরানি হামলায় সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটির এক অরক্ষিত ট্যাক্সিওয়েতে একটি ই-থ্রি সেন্ট্রি কমান্ড এন্ড কন্ট্রোল বিমান ধ্বংস হয়। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 07 May 2026, 10:18 AM

Updated : 26 Aug 2026, 03:34 PM

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে যতোটা স্বীকার করেছেন ইরানের হামলায় পশ্চিম এশিয়াজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো তারচেয়ে অনেক বেশি ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে।  

ওয়াশিংটন পোস্টের স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণের বরাত দিয়ে বুধবার এমনটি জানিয়েছে আনাদোলু। 

পোস্টের বিশ্লেষণে পশ্চিম এশিয়াজুড়ে ১৫টি মার্কিন ঘাঁটিতে ২২৮টি অবকাঠামো ও সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে উঠে এসেছে। এগুলোর মধ্যে ২১৭টি ভবন ও ১১টি সামরিক সম্পদ রয়েছে। 

মার্কিন সংবাদপত্রটি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যতোটা প্রকাশ করেছে ধ্বংসের ব্যাপকতা তার চেয়ে আরও অনেক বেশি। পোস্টের এই অনুসন্ধানের বিষয়ে হোয়াইট হাউজ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

এসব ক্ষয়ক্ষতির অর্ধেকেরও বেশি হয়েছে বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তরে ও কুয়েতে থাকা তিনটি মার্কিন ঘাঁটিতে। 

এক মার্কিন কর্মকর্তা পোস্টকে বলেছেন, এই স্থানগুলোতে সম্ভবত মারাত্মভাবে আঘাত হানা হয়েছে এই কারণে যে তারা নিজেদের ভূখণ্ড থেকে ইরানে হামলার অনুমতি দিয়েছিল।   

ইরানের এসব হামলায় বাহরাইন ও কুয়েতে প্যাট্রিয়ট মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস হয়ে যায়। বাহরাইনে মার্কিন নেভাল সাপোর্ট অ্যাকটিভিটির একটি স্যাটেলাইট ডিশ এবং জর্ডান ও আরব আমিরাতে থাড রাডার সিস্টেম ধ্বংস হয়।  

সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটির এক অরক্ষিত ট্যাক্সিওয়েতে বারবার পার্ক করার পর একটি ই-থ্রি সেন্ট্রি কমান্ড এন্ড কন্ট্রোল বিমান ধ্বংস হয়। এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্র একটি রিফুয়েলিং ট্যাঙ্কার বিমানও হারায়। 

এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নেভাল সাপোর্ট অ্যাকটিভিটির ‘ব্যাপক’ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, এ কারণে পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর ফ্লোরিডার ম্যাকডিল বিমান ঘাঁটিতে সরিয়ে নিতে হয়েছে। 

আরও দুই মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাহিনীর বড় অংশ সম্ভবত আর কখনো ওই আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে ফিরবে না।