২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

এথেন্সে বিস্ফোরণে ভবন ধসে নিহত ২, নিখোঁজ ৪

এথেন্সের বিখ্যাত পর্যটন গন্তব্য অ্যাক্রোপোলিসের কাছে প্লাকা এলাকায় এই বিস্ফোরণে একটি দোতলা ভবন প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়।

এথেন্সে বিস্ফোরণে ভবন ধসে নিহত ২, নিখোঁজ ৪

ধসে পড়া ভবনটি মুচড়ে যাওয়া রড, চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাওয়া টাইলস ও কংক্রিটের স্ল্যাবের ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 26 Sep 2026, 05:27 PM

Updated : 26 Sep 2026, 05:27 PM

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের কেন্দ্রস্থলে এক পর্যটন এলাকায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের একটি আবাসিক ভবন ধসে পড়ে দুইজন নিহত ও আরও চারজন নিখোঁজ রয়েছেন।

গ্রিসের দমকলের এক কর্মকর্তা শনিবার এমনটি জানিয়েছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার এথেন্সের বিখ্যাত পর্যটন গন্তব্য অ্যাক্রোপোলিস ও জিউসের মন্দিরের কাছে প্লাকা এলাকায় ঘটা এই বিস্ফোরণে একটি দোতলা ভবন প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়।

এ ঘটনায় তিনজন আহত ও ছয়জন নিখোঁজ হন। পাশাপাশি আশপাশের বেশ কিছু বাড়ি, দোকানপাট ও গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনটির ধ্বংসাবশেষ ও ভাঙা কাঁচের টুকরা তিন ব্লক দূরে গিয়ে পড়ে।

উদ্ধারকারী কুকুরের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা একটি ফ্ল্যাটের এক বয়স্ক দম্পতি ও অন্য ফ্ল্যাটের চার পর্যটকের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেন। শনিবার তারা এক পুরুষ ও এক নারীর মৃতদেহ খুঁজে পান।

দমকলের ওই কর্মকর্তা জানান, ধসে পড়া ভবনটি মুচড়ে যাওয়া রড, চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাওয়া টাইলস ও কংক্রিটের স্ল্যাবের ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। এসব আবর্জনা সরানোর পর দুই মৃতদেহের সন্ধান পান তারা। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে গৃহস্থালির জিনিসপত্র ও জামাকাপড় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছিল।

এখনো চার পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন আর তাদের সন্ধানে তল্লাশি অব্যাহত আছে। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, এই দুই দম্পতি পর্যটক মার্কিন নাগরিক। শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকাল ৩টায় এথেন্স বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট ধরার জন্য তাদের হোটেল ছাড়ার কথা থাকলেও তারা আর বের হতে পারেননি।

বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। প্লাকা এলাকাটি অনেক হোটেল ও স্বল্পমেয়াদি ভাড়া বাসার জন্য পরিচিত।

শুক্রবার এথেন্সের মেয়র হারিস দুকাস ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বিস্ফোরণের ঘটনাটি গ্যাস সংযোগের ত্রুটি থেকে ঘটে থাকতে পারে। তিনি বলেছেন, “কোথাও মারাত্মক কোনো ভুল হয়েছে।”

পুলিশের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ভবনটির অধিকাংশই ধসে পড়ায় উদ্ধারকাজ সহজ হচ্ছে না। নিরাপত্তার কারণে পাশের ভবনটি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ওই ভবনটিও ঝুঁকির মধ্যে আছে।