২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬ আশ্বিন ১৪৩৩

হোয়াইট হাউজে নিষেধাজ্ঞা: ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে সিএনএন-এমএস নাও-পলিটিকোর মামলা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর হোয়াইট হাউজে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে তার দল সম্পর্কে 'কাল্পনিক বা মিথ্যা' লেখার অভিযোগ করেছেন।

হোয়াইট হাউজে নিষেধাজ্ঞা: ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে সিএনএন-এমএস নাও-পলিটিকোর মামলা

ডনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 22 Sep 2026, 01:05 AM

Updated : 22 Sep 2026, 01:04 AM

হোয়াইট হাউজে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকো।

ট্রাম্প শুক্রবার এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন এবং সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে তার দল সম্পর্কে 'কাল্পনিক বা মিথ্যা' তথ্য লেখার অভিযোগ তোলেন। সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে যে, শনিবার তাদের সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউজ ভবনে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছে, গণমাধ্যম কী সংবাদ পরিবেশন করবে সরকার তা নির্ধারণ করে না—এই নীতি রক্ষার জন্যই তারা আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে।

প্রধান মার্কিন টিভি নেটওয়ার্কগুলো পরবর্তীতে ঘোষণা করেছে যে, তারা হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের সংবাদ সংগ্রহ করা (পুলড কাভারেজ অব ট্রাম্প) সাময়িকভাবে বন্ধ রাখবে, এর ফলে ট্রাম্প যখন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউ ইয়র্ক যাবেন, তখন সেখানে তার খবরের একটি বড় ঘাটতি বা শূন্যতা তৈরি হতে পারে।"

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ এবং সরকারের কাছে আবেদন করার অধিকার সুরক্ষিত রাখা হয়েছে।

সিএনএন-সহ তিন সংবাদমাধ্যমের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কোনও পূর্ব নোটিশ বা আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই হোয়াইট হাউজ আমাদের সাংবাদিকদের প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন (সাংবাদিকতার অনুমতিপত্র বা পরিচয়পত্র) বাতিল করেছে, কারণ তারা আমাদের সংবাদ পরিবেশন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল।"

“এর বিরুদ্ধে না দাঁড়ালে তা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং সরকারি হস্তক্ষেপমুক্ত স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে জনগণের অধিকারকে হুমকির মুখে ফেলা হয়।”

গণমাধ্যমগুলো সোমবার ওয়াশিংটনের মার্কিন জেলা আদালতে মামলা দায়ের করেছে। তারা বিচারকের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে যেন

ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞাকে দ্রুত অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করা হয় এবং তার সহযোগীদের এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা থেকে বিরত রাখা হয়।