নিউ ইয়র্কে বৈঠক করলেন এরদোয়ান ও লাপিদ

ফিলিস্তিন প্রশ্নে দীর্ঘদিন ধরে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে বৈরি সম্পর্ক বিরাজমান ছিল, সম্প্রতি তাদের মধ্যে সম্পর্ক উষ্ণ হতে শুরু করেছে।

নিউজ ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 21 Sept 2022, 06:43 AM
Updated : 21 Sept 2022, 06:43 AM

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে বৈঠক করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট তায়িপ এরদোয়ান ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ।

২০০৮ সালের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের এ দুই মিত্র দেশের নেতারা মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো মুখোমুখি বৈঠকে মিলিত হন বলে লাপিদের দপ্তর জানিয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিন প্রশ্নে দীর্ঘদিন ধরে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে বৈরি সম্পর্ক বিরাজমান ছিল, সম্প্রতি তাদের মধ্যে সম্পর্ক উষ্ণ হতে শুরু করেছে। দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্রে জ্বালানি প্রধান খাত হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। দেশ দুটি শিগগিরই নতুন রাষ্ট্রদূত বিনিময় করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

লাপিদের দপ্তর জানিয়েছে, জ্বালানি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশ গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করায় এরদোয়ানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন লাপিদ আর নিখোঁজ চার ইসরায়েলি নাগরিককে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবির বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

নিখোঁজ ওই চার ইসরায়েলি মধ্যে দুই জন সেনা। তারা ২০১৪ সালে যুদ্ধ চলাকালে ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে নিখোঁজ হয়েছিলেন। 

নেটো সদস্য তুরস্ক ইসলামপন্থি ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক দল হামাসের সদস্যদের আশ্রয় দিয়ে আসছে। অধিকাংশ পশ্চিমা দেশ গাজা শাসনকারী হামাসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। হামাসের সঙ্গে আঙ্কারার এই ঘনিষ্ঠতা তুরস্ক ও ইসরায়েলের সম্পর্ক উন্নয়নের পথে একটি বাধা হিসেবে রয়ে গেছে।  

এছাড়া ২০১০ সালে ইসরায়েলের মেরিন সেনারা তুরস্কের ১০ মানবাধিকার আন্দোলনকারীকে হত্যা করেছিল, সেটিই নিয়েও আঙ্কারার ক্ষোভ আছে।

ওই তুর্কি মানবাধিকার আন্দোলনকারীরা গাজার ওপর আরোপ করা ইসরায়েলের নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করেছিলেন, তখন ইসরায়েলের মেরিন সেনারা তাদের জাহাজের ওপর আক্রমণ চালিয়েছিল।  

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক