১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
পহেলা বৈশাখ আমাদের ঐতিহ্যের উৎসব, যার অবস্থান ধর্মপরিচয়ের ঊর্ধ্বে।
“হালখাতায় যে পরিমাণ লেনদেন হতো, তার চার ভাগের এক ভাগও এখন হয় না; তবে ব্যবসার একটা ঐতিহ্য হালখাতা, এবারও সেটি আয়োজন করছি,” বলেন এক ব্যবসায়ী।
গ্রাহকের সঙ্গে পুরনো হিসাবনিকাশ চুকাতে রাজধানীর তাঁতীবাজারের বিভিন্ন দোকানে জমে উঠেছে হালখাতা। পহেলা বৈশাখে হালখাতা বেশি হলেও বৈশাখের পুরোটা সময় এমনকি জ্যৈষ্ঠ মাসেও হালখাতা করেন ব্যবসায়ীরা। সময়ের ব্যবধানে এ অনুষ্ঠানের চল ধীরে ধীরে কমে এসেছে। যদিও নতুন বছরের শুরুতে পুরনো ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন তাঁতীবাজারের ব্যবসায়ীরা।
বাংলা নববর্ষ কখনোই কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের অনুষ্ঠান ছিল না। এটি ছিল কৃষিনির্ভর সমাজের চক্রাকার জীবনের ছন্দ মেনে তৈরি হওয়া এক সময়চিত্র।
এবার সোম ও মঙ্গলবার- দুদিন হালখাতার আয়োজন রাখবেন পুরান ঢাকার অনেক ব্যবসায়ী।
দুই দিনের এ আয়োজনে রয়েছে আর্ট ক্যাম্প, আলপনা, আলোচনা, পালাগান এবং ব্যান্ড দল জলের গান ও দলছুটের পরিবেশনা।