২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
মার্চের মাঝামাঝি থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৬২৮ জনের প্রাণ গেছে।
“শরীরের ইমিউনিটি বাড়াতে এক ধরনের ইনজেকশন দিতে হয়; এটি বাচ্চার ওজন অনুসারে দুইটি থেকে ছয়টি দিতে হয়,” বলেন এক চিকিৎসক।
এ পর্যন্ত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে ৭৫ জনের এবং লক্ষণ নিয়ে ৩৮৯ জন মারা গেছে।
“দেশে এখন মাতৃদুগ্ধ পান করে ৫৬ শতাংশ; বাকি শিশুরা মাতৃদুগ্ধের বাইরে থাকায় তাদের রোগপ্রবণতা বাড়ছে,” বলেন অধ্যাপক রুহুল আমিন।
নগরীর যেসব এলাকা ঘনবসতিপূর্ণ ও শিল্প এলাকা হিসেবে পরিচিত সেখানে হাম বেশি শনাক্ত হওয়ার কথা বলছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক কর্মকর্তা।
এক দিনে নতুন করে ১৭২ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন; হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে গেছেন ১ হাজার ২১৫ জন।
গত এক দিনে নতুন করে ১২৯ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন।
এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে ৩৭ জন এবং হামের লক্ষণ নিয়ে ১৭৪ জনের মৃত্যু হল।