০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
“ফুটপাত ও রাস্তায় হকারদের বসার সুযোগ করে দেওয়ার যে সামগ্রিক উদ্দেশ্য এই নীতিমালায় রয়েছে, রিট আবেদনে সেটিরই বিরোধিতা করা হয়েছে।”
চলতি মৌসুমেই চট্টগ্রাম নগরীকে জলাবদ্ধতা থেকে ‘৭০-৮০ শতাংশ’ মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শাহাদাত হোসেন।
“এখন থেকে ফুটপাত বা রাস্তার নির্ধারিত স্থানে, নির্দিষ্ট সংখ্যক হকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বসতে পারবেন,” বলেন তিনি।
তাদের জন্য দক্ষিণের সাতটি স্থানে এবং উত্তরের দুইটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেছেন, এমন জায়গায় পুনর্বাসন করতে হবে, যেখানে তারা স্বাচ্ছন্দ্য ও উৎসাহের সঙ্গে ব্যবসা করতে পারবেন।
“প্রকাশ্যে সত্যি কথা না বলে যখন কেউ গুপ্ত হয়ে থাকে, তখন সে কী কাজ করছে তা খুঁজে বের করা সম্ভব না।”
সড়ক উন্মুক্ত রেখে ফুটপাতের নির্ধারিত অংশে শৃঙ্খলার সঙ্গে হকারি করার বিষয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলে তা মেনে চলার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে ইউনিয়ন।
সংগঠনটির অভিযোগ, উচ্ছেদ অভিযানের দোহাই দিয়ে কোথাও ‘আগের চেয়ে বেশি চাঁদা’ চাওয়া হচ্ছে, নতুন ‘রাজনৈতিক দখলদার ও চাঁদাবাজ’ অনেক এলাকায় সক্রিয় হচ্ছে।