২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
এসব নতুন পোস্টের মাধ্যমে এআই কোম্পানি ওপেনএআইয়ের বিবর্তন ও এর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই শীর্ষ প্রযুক্তি কর্তার নিজেদের দীর্ঘদিনের পুরানো বৈরিতাই আবারও সামনে এল।
ট্রাম্প প্রশাসন ও অল্টম্যানের মধ্যে এ আলোচনাটি ২০২৫ সাল থেকেই শুরু হয়েছিল। ওই সময় অল্টম্যান নিজেই প্রথম এ প্রস্তাবটি দিয়েছিলেন।
অল্টম্যান বলেছেন, বিভিন্ন শিল্প ও চাকরিতে এআই দিন দিন যতই সক্রিয় ভূমিকা নিক না কেন কর্মসংস্থানের এমন এক ‘মানবিক দিক’ রয়েছে, যা কখনোই প্রতিস্থাপন করা সম্ভব নয়।
স্পেসএক্স ও ওপেনএআই উভয় কোম্পানির পেছনের গল্পই বেশ জটিল। আর এত চড়া দামে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে হলে তাদের কোম্পানির শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর শতভাগ আস্থা থাকতে হবে।
উপর্যুপরি আইনি ধাক্কা ও মোটা অংকের জরিমানার পরও কি নিজের বিপুল অর্থসম্পদের জোরে ইলন মাস্ক লড়াই চালিয়েই যাবেন কি না তা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।
মামলার রায় যা-ই হোক না কেন, ওপেনএআইয়ের ভেতরের ইতিহাস ও প্রযুক্তি বিশ্বের শীর্ষ ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা পর্দার আড়ালে কীভাবে চলেন তা বোঝার জন্য মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ।
আদালতে সমাপনী যুক্তি উপস্থাপনের সময় অল্টম্যান ও ব্রকম্যান উপস্থিত থাকলেও মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে চীন সফরে থাকায় আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন মাস্ক।
“আমি ওপেনএআইকে বাঁচানোর জন্য জ্বলন্ত ভবনের ভেতর দিয়ে দৌড়ে যাওযার জন্যও প্রস্তুত ছিলাম।”