২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
আরব বসন্ত থেকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, কিংবা বাংলাদেশের চব্বিশের অভ্যুত্থান—ডিজিটাল মিম-রাজনীতি কীভাবে মাঠের ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করছে? পুরোনো দলগুলো কেন তরুণদের ভাষা বুঝতে ব্যর্থ?
দেলাক্রোয়ার আঁকা ‘লিবার্টি লিডিং দ্য পিপল’ যেন জীবন্ত রূপ পেয়েছে খালেদা জিয়ার মধ্য দিয়ে–অন্ধকার অমানিশায় যিনি আলোকবর্তিকা হয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে।
পৃথিবীর ইতিহাসে সরকার প্রধান হিসেবে 'দীর্ঘতম সময় ক্ষমতায় থাকা নারী' শেখ হাসিনা, রাজনীতিতে যার উত্থান-পতন দুই'ই ছিল নাটকীয়তায় মোড়া।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাই মুখ্য আলোচ্য বিষয়। এই অগ্রযাত্রায় কারা থাকবে, কারা থাকবে না, কাদের বাদ দিতে হবে— এ নিয়েই চলছে তর্ক-বিতর্ক।
আবু সাঈদের বীরত্ব অন্যদের মাঝেও অনুরণিত হলো। তারাও সাহসের সমাচার জানিয়ে মিছিলের সামনে এগিয়ে আসলেন প্রতিদিন, যতদিন স্বৈরাচারের বন্দুকের আওয়াজ স্তব্ধ না হলো।
বাংলাদেশ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগ– ইতিহাসের একই সুতোয় গাঁথা।
যাদের সাহসী নেতৃত্বে নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ পেয়েছিল, তাদের মধ্যে শফী আহমেদ উজ্জ্বল এক নাম।