১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
“হাসপাতালে আনার আগেই ছামিনার মৃত্যু হয়। সুজনের শরীরেও একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।”
বুধবার দুপুরে শেরপুরের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বুলবুল আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন।
“এক নারীকে করলাসহ আটক করা হয়েছিল। তার স্বামী শাসন করে বাড়িতে নিয়ে যান। তবে মারধরের বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত।”
পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২০২০ সালের ২৯ জানুয়ারি এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম এ মামলায় রায় ঘোষণা করেন।
২০১৮ সালের ১ অগাস্ট এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
২০২৩ সালে সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের পাকুল্লা গ্রামে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন ওই গৃহবধূ।