০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শারীরিক আক্রমণ চোখে দেখা যায়, কিন্তু এমন এক সহিংসতা আছে যা দৃশ্যমান নয়—তবুও তার ক্ষত আরও গভীর। এটাই জ্ঞানতাত্ত্বিক সহিংসতা। বাংলাদেশের ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা দীর্ঘদিন ধরেই এই অদৃশ্য সহিংসতার শিকার।
আহমদীয়া মুসলিম জামা’ত এক বিবৃতিতে বলেছে, সেদিনের হামলায় কোনো ‘রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ছিল না’, বরং দেশে আইন-প্রশাসন এবং সরকারের অনুপস্থিতিতে ‘ধর্মীয় উগ্রবাদীরা’ ওই হামলা চালায়।
ইসকন চট্টগ্রাম পুণ্ডরিক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময়কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারী বলেন, “আমরা আমাদের অধিকার নিয়ে কথা বললে আমাদের উগ্রবাদী আখ্যা দেওয়া হয়, আওয়ামী লীগ ও ভারতের দালাল বলা হয়।”
“এ দেশে প্রত্যেকটি মানুষের ভোটাধিকার যেমন রয়েছে, নাগরিক অধিকারও আমাদের রয়েছে। গত সরকারগুলোর মত এখনও আমাদের মঠ-মন্দির ভাঙছে।”
“থানা পুলিশ, আনসার সদস্যসহ আমাদের নিরাপত্তায় কেউ এগিয়ে আসেনি,” বলেন সুব্রত চৌধুরী।