২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
কেউ যদি রূপক অর্থে আজকের বিশ্ব ফুটবলকে ‘কালোদের বিশ্বকাপ’ বলেন, তবে সেটি বর্ণবাদের বিপরীত কোনো বর্ণবাদ নয়। সেটি কোনো রঙের বিজয়ও নয়। সেটি আসলে ইতিহাসের এক গভীর নৈতিক সংশোধন।
আমাদের পুরো শিক্ষাব্যবস্থা আজ জ্ঞানচর্চার বদলে প্রতিযোগিতায় পরিণত হয়েছে। আর এই প্রতিযোগিতার শুরুটা হয় শিশুর টিফিন বক্স আর স্কুলের গেট থেকেই। একদিকে দামি পেস্ট্রি-বার্গার আর ব্যক্তিগত গাড়ি, অন্যদিকে স্রেফ আলুভাজি আর পায়ে হেঁটে স্কুলে আসা সহপাঠী। এই সব দৃশ্য শিশুদের মনে কী ধরনের বিষক্রিয়া তৈরি করছে?
বর্তমানে প্রধান দলগুলোর চরিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ডানবিরোধী অবস্থান মানেই তা বাম নয়, বরং তা এক ধরনের ‘সহনশীল ডান’। এদেরকে আপাতদৃষ্টিতে প্রগতিশীল মনে হলেও তাদের চর্চায় ডানের ছাপ স্পষ্ট।
লটারি পদ্ধতি বন্ধ করে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্তে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে কোচিং বাণিজ্য ও শিক্ষা বৈষম্য। প্রশ্ন উঠছে—স্বচ্ছতার নামে শিশুদের শৈশব কি উৎসর্গ করা হচ্ছে?
একসঙ্গে সংসদ ও গণভোট, প্রবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণ, জোটবদ্ধতা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে আসন্ন নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের বড় পরীক্ষা।
ঢাকার অভিজাত দালানের ছায়ায় লুকিয়ে থাকা আরেক শহরের নাম কড়াইল, যেখানে যখনই আগুন লাগে, জন্ম নেয় একটি প্রশ্ন—এ দুর্ঘটনা, নাকি কোনো নীরব ষড়যন্ত্রের পুনরাবৃত্তি?
যদি ধরেই নিই যে, ছোট ছোট দোকানিরা মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, তাহলে প্রশ্ন, তারা মাদকের চালান কোথায় পায়? উৎস কেন বন্ধ করা হয় না?
ছোট ছোট পরিবর্তনই বড় প্রভাব আনে, আর ওই পরিবর্তন শুরু হতে পারে একজন সচেতন শিক্ষকের ক্লাসরুম থেকেই।