২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
পুলিশ বলছে, শিশুটিকে চুরি বা অপহরণের ঘটনাটি ছিল ‘ক্লুলেস’; সেই নারী সম্পর্কে কোনো তথ্যই কারো কাছে ছিল না।
কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিদের অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রোববার সকালে শিশুটিকে দোকানে নেওয়ার কথা বলে তিনি নিয়ে যান এবং পরে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।
মুগদা হাসপাতালের সামনে থেকে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার পর তাকে এক নিকটাত্মীয়ের মাধ্যমে গাইবান্ধায় নিজের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন চাঁন মিয়া, বলছে র্যাব।
অপরহরণের এ ঘটনায় মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব ও পুলিশ।
অপহরণের কারণ এখনো নিশ্চিত নয়; তবে ৪১ বছর বয়সী চাঁন মিয়ার ‘কোনো সন্তান নেই’ বলে তথ্য পেয়েছেন র্যাব কর্মকর্তারা।
শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার সুমাইয়া ভুক্তভোগীদের বাসায় সাবলেট থাকতেন।