০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
ঘটনাটি ঘটেছিল আর্কিয়ান যুগ বা ৪০০ কোটি থেকে ২৫০ কোটি বছর আগে। এ সময় পৃথিবীর টেকটোনিক প্লেটগুলো কেবল গঠিত হতে শুরু করেছে ও আদিম প্রাণের বিকাশ ঘটছে।
আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে।
সথবিস নিলামঘরে তোলা ছবিতে আলোর মধ্যে জ্বলজলে লাল আর রূপালি রঙের এই শিলা সবাইকে মুগ্ধ করেছে। কিন্তু এরপরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, কীভাবে এই শিলাখণ্ড নিলামে উঠল?
গ্রহটিতে একসময় কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন বায়ুমণ্ডল ছিল, যা গ্রহটিকে উষ্ণ রাখা ও এর পৃষ্ঠে পানির অস্তিত্ব ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।
“প্রতিটি উল্কাপিণ্ডের পতন আমাদের একটি নতুন সূত্র দিয়েছে এবং এখন আমরা আরও বড় ছবিটি দেখতে শুরু করেছি।”
এসব আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত স্বাভাবিক নিয়ম অনুসরণ করে না, কারণ বেশিরভাগ আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ পৃথিবীর টেকটোনিক প্লেটের সীমানা বরাবর ঘটে।
মানুষকে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছাতে সহায়তা করার জন্য চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে নাসা।
শনির বরফের বলয়ের বিভিন্ন কণায় ক্র্যাশ হওয়া ছোট আকারের উল্কাপিণ্ডের মডেল করতে কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করেছেন গবেষকরা।