২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
“বিগত সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী-পেটোয়া পুলিশ বাহিনী আমাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। এতে আমাদের ৩০-৩৫ জন শিক্ষক আহত হয়েছেন।”
বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সাধারণ শিক্ষক ঐক্য পরিষদের ব্যানারে প্রায় হাজারখানেক শিক্ষক এ আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন।
দেশীয় চিকিৎসার ওপর ‘আস্থা থাকলেও’ নিরাপত্তাজনিত কারণে তাকে বিদেশে নেওয়ার দাবি তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাশেদ খান।
নুরকে আইসিইউতে রেখেই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
“জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একজন নেতা ও তার দলের ওপর এ ধরনের হামলায় আমরা শঙ্কিত,” বলা হয়েছে বিবৃতিতে।
এ সময় ‘আপা গেছে যে পথে, জাপা যাবে সেই পথে’, ‘যে নুর জনতার, রুখবে তাকে সাধ্য কার’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।
তার নাকে গুরুতর আঘাত রয়েছে।