১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
রাখাইন পরিচয় ও এর ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতার দাবির প্রেক্ষিতে তারা পাউকতাও ও মিনব্যাসহ বেশ কয়েকটি শহরের নাম পরিবর্তন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
প্রত্যাবাসন অনিশ্চিত, বাড়ছে জনসংখ্যা, কমছে সহায়তা। এর মধ্যে বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে আটকে আছে প্রায় ১৫ লাখ রোহিঙ্গার ভবিষ্যৎ।
“হঠাৎ একটি গুলি টিনের ছাউনি ছিদ্র করে বাড়ির ভেতরে পড়ে যায় এবং গুলিটি ঘুরতে থাকে। পরে গুলিটি হাতে ধরলে তা গরম অনুভূত হয়।”
আরাকান আর্মি মনে করে, শিক্ষিত ও অল্প শিক্ষিত রোহিঙ্গারা আরসা ও আরএসওকে সহায়তা করে।
তহবিল সংকটে জীবনশঙ্কায় পড়েছেন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষ। চরম হতাশায় ঝুঁকিপূর্ণ নৌযাত্রার বিপজ্জনক পথে পা বাড়িয়েছেন তারা; এতে প্রাণহানির শঙ্কা বাড়ছে। কেবল মে মাসেই ৪২৭ রোহিঙ্গা নৌকাডুবিতে মারা গেছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
রোহিঙ্গাদের আবাসস্থল রাখাইন কি এখন আর মিয়ানমার সরকারের নিয়ন্ত্রণে আছে? কার্যত নেই। তাহলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমারের এই নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আদতে কতটা কার্যকর হবে?
“সীমান্তের যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”
“এসব শব্দ মর্টার শেল ও বোমা বিস্ফোরণের হতে পারে। গত রাতে (বৃহস্পতিবার) ঘুমাতেও কষ্ট হয়েছে।”