২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ক্ষণিকের প্রযুক্তিগত উত্তেজনা আর জবরদস্তির ইতিহাস চর্চা তরুণদের ঠেলে দিচ্ছে চরম অস্থিরতার দিকে। এই সংকট থেকে মুক্তির উপায় লুকিয়ে আছে রবীন্দ্রনাথের ত্রিবিধ স্বাধীনতার শিক্ষাদর্শন এবং পাঠে নিমগ্ন হওয়ার অভ্যাসের মাঝে।
আয়োজকরা বলেন, সংস্কৃতিচর্চা সমাজে সম্প্রীতি, মানবিকতা ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
রাজনীতি কি কেবল ক্ষমতা দখলের লড়াই, নাকি সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার? বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘পরিচ্ছন্ন রাজনীতি’ কেন আজও এক দূরবর্তী স্বপ্ন?
“রবীন্দ্রনাথের সমস্ত সৃষ্টির ভেতর পূর্ব বাংলার মানে আজকের বাংলাদেশের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।”
অনুষ্ঠানে গান-কবির পাশাপাশি আলোচকরা রবীন্দ্রচিন্তার প্রাসঙ্গিকতা, দর্শন ও সমকালীন সমাজে এর প্রভাব নিয়ে কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ছিল একক, দ্বৈত এবং সমবেত কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথের পূজা, প্রেম ও প্রকৃতি পর্যায়ের বিভিন্ন গান।
এবারের রবীন্দ্র উৎসব শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক উদযাপনে সীমাবদ্ধ না বরং বিশ্বজুড়ে চলমান মানবিক বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান ছায়ানটের সভাপতি সারওয়ার আলীর।