০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
একাত্তরে ধর্ষণের কোনো ঘটনাই ঘটেনি–এমন বিকৃত বয়ান আর রাজাকারদের আস্ফালন বুকের ভেতর দহন জাগায়। এত রক্ত আর সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত দেশটা কি তবে জলের দামে বিক্রি হয়ে গেল?
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছেন রুশ বিচার বিভাগের কিছু সদস্য ছাড়াও কিছু পেনাল কলোনির প্রধান।
বিশেষ বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা ও সীমা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যখন সেই বাহিনীর বিরুদ্ধেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
“অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও চুক্তি বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি ঘটেনি,” বলা হয় সমিতির বার্ষিক প্রতিবেদনে।
শুধু গত বছরের অভ্যুত্থানেই নয়, শেখ হাসিনার ১৫ বছরেরও বেশি সময়ের শাসনকালে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের ওপর যে নিপীড়ন ঘটেছে, শুধু ক্ষমা চাইলেই কি ওইসব অপরাধের দায়মুক্তি হয়?
বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বারবার রক্তাক্ত করেছে বাংলাদেশকে। দেশ কি একদিন এই সব হত্যার অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে?
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিস্থিতির উন্নয়নের বিষয়ে ধারণা দেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার প্রতিবেদনে।
বাংলাদেশে আদিবাসীরা সব সময়ই বৈষম্য, দমন-পীড়ন ও প্রান্তিকীকরণের শিকার হয়ে আসছে। এই চক্র না ভাঙলে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র কেবল কাগুজে প্রতিশ্রুতি হয়েই রয়ে যাবে।