২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর আনুমানিক ১০ হাজার থেকে ১ লাখ মানুষ হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত হন, যার মধ্যে এশিয়া ও ইউরোপে সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি।
ম্যাগমা মহাসাগর থাকার কারণেই গ্রহটি এর হাইড্রোজেনওয়ালা বায়ুমণ্ডল ও হাইড্রোজেন সালফাইডের মতো সালফাওয়ালা বিভিন্ন গ্যাসকে ধরে রাখতে পারছে।
বরফময় এ চাঁদের শীর্ষ থেকে তাপ বেরিয়ে আসছে। যার থেকে ইঙ্গিত মেলে, এখানে এমন স্থিতিশীল পরিবেশ থাকতে পারে, যা প্রাণের জন্য দরকারি।
যে তীব্র ঠান্ডা প্রস্তুতি নিয়েছিলেন গবেষকরা তার বদলে বৃষ্টির মধ্যে খালি হাতে কাজ করতে হয়েছে তাদের, যা সাধারণ আর্কটিকের পরিবেশ থেকে একেবারেই আলাদা।
কিছু ক্ষেত্রে ক্ষতিকর শৈবাল জন্মাতে ভূমিকা রাখে এসব ভাইরাস। ফলে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে শৈবালের। এতে পানির গুণমান নষ্ট, মাছ মরে যায় ও স্বাস্থ্য ঝুঁকিও তৈরি হয়।
এটি আসলে কী সে বিষয়ে শুরুতে কোনো ধারণাই ছিল না গবেষক দলটির। কেবল এটি “সুন্দর ও অস্বাভাবিক” হওয়ার কারণে তারা এর ভিডিও করেছেন।
মহাসাগরের এ উষ্ণতা বেড়ে যাওয়াকে গরম পানি দিয়ে বাথটাব ভর্তি করার সঙ্গে তুলনা করেছেন এ গবেষকরা।
মানুষকে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছাতে সহায়তা করার জন্য চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ঘাঁটি নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে নাসা।