২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
বড় দলের প্রার্থী হওয়া ছাড়া প্রচলিত নির্বাচনি সংস্কৃতিতে জয়লাভ করা ‘অসম্ভব’ বলে মনে করছেন তারা।
যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির দুই প্রার্থীও আছেন।
“নির্বাচন কমিশন জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী একটি নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে সক্ষম হয়েছে।”
“অভিযোগ প্রমাণিত হলে কিছু আসনের ভোট স্থগিত হতে পারে।”
“অন্যথায় ভোটের হার ১৫ শতাংশের বেশি হত না,” বলেন তিনি।
এই ধাপে ভোটের হার অন্তত ৩৫ শতাংশ হবে বলে আশা করছেন নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা।
“শেষ পর্যন্ত ভোটের হার অন্তত ৩৫ শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা পাওয়া গেছে,” বলেন তিনি।
ছয়টি উপজেলায় ইভিএমে এবং বাকিগুলোতে ব্যালট পেপারে ভোট হচ্ছে।