২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
প্রতি বছর ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট এবং বছরে তিনটি বোনাসের প্রস্তাব করা হয়েছে বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের জন্য।
হাসপাতালগুলোতে জরুরি বিভাগ আছে ঠিকই, কিন্তু কক্ষের মধ্যে একটি শয্যা ছাড়া চিকিৎসার আর কোনো সরঞ্জাম নেই বললেই চলে।
“এবারের বাজেটের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে তা দেশের স্বাস্থ্যখাতের জন্য খুবই ভালো ফল নিয়ে আসবে,’’ বলেন তিনি।
“মে দিবস আসে-যায়, সবাই নিজেদের অধিকারের কথা বলে। কিন্তু আমাদের কোনো অধিকার বলতে যেন কিছু নেই।”
চিকিৎসা কোনো বিলাসপণ্য নয়, মৌলিক অধিকার। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সঠিক সমন্বয়ই পারে সাধারণ মানুষের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে।
“আমি সচেতন হলে ঠিক সময়ে আমি আমার স্ত্রীকে ঠিক জায়গায় নিয়ে যাব, সঠিক পুষ্টিকর খাবারটা তাকে খাওয়াব,” বলেন নূরজাহান বেগম।
আবেদন ফরম গণঅভ্যুত্থান সংক্রান্ত বিশেষ সেলের ওয়েসাইটে পাওয়া যাবে।
হাসপাতালের কর্মীদের উপস্থিতির হার বাড়ানো এবং যথাসময়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নিয়েছে দেশের বৃহত্তম এ হাসপাতাল।