২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
এতে সরকারের বিল আদায়ের হার বাড়বে এবং আর্থিক বোঝা কমবে বলে মনে করছেন তিনি।
“আগে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে যেসব চুক্তি হয়েছে, সেগুলোতে রাষ্ট্রের স্বার্থ সুরক্ষা করা হয়নি,” বলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, নতুন ট্যারিফ কার্যকর হওয়ায় একই পরিমাণ টাকা রিচার্জে আগের তুলনায় কম ইউনিট পাওয়া যাচ্ছে। ফলে প্রিপেইড গ্রাহকদের আগের চেয়ে ঘন ঘন রিচার্জ করতে হচ্ছে।
চোরের বিল মেটাতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের—এ হচ্ছে বিদ্যুৎ খাতের এক নির্মম বাস্তবতা। উন্নত বিশ্বে যেখানে বিদ্যুৎ অপচয় মাত্র ২ থেকে ৫ শতাংশ, সেখানে বাংলাদেশে তা ১০ শতাংশের বেশি! এই হরিলুটের লোকসান মেটাতে বারবার কেন কোপ পড়ে সাধারণ মানুষের পকেটে?
আইন বাতিল হয়েছে, কিন্তু তার মাধ্যমে সৃষ্ট আর্থিক দায়, ব্যবসায়িক সুবিধা এবং বিতর্কিত চুক্তিগুলো বহাল রয়েছে।
সিলেটে ২০ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে না পারায় প্রায় তিন মাস আগে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
উৎপাদন ব্যয় কমাতে এসব খাতে ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেবে অর্থ বিভাগ।
পিডিবি জানায়, অন্য একজনের বিল তার কাছে চলে গেছে। বিলটি সংশোধন করে দেওয়া হবে।