০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বর্তমান সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে সাংবাদিকদের জেলে বন্দি অবস্থায় পেয়েছে সত্য, কিন্তু সেই পরিস্থিতির দায় এখন তাদের কাঁধেই। বিচারহীনভাবে কাউকে দীর্ঘদিন জেলখানায় আটকে রাখা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
বাংলাদেশের জনগণ যে গণতান্ত্রিক মুক্তির জন্য দিনের পর দিন লড়াই করে আসছে, সেটি একটি সংকর ব্যবস্থায় এসে থিতু হয়েছে। তাত্ত্বিকভাবে এই পরিস্থিতিকে অ্যানোক্রেসি বা ‘নিয়ন্ত্রিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা’ বলা হয়।
এবারের ভোট কেবল সরকার বদলের নয়, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ চরিত্র রক্ষারও। এখন রাষ্ট্রীয় সেই চরিত্র রক্ষার কঠিন দায়িত্ব বিজয়ীদের কাঁধে।
বিএনপির ৩১ দফার ১১ নম্বর দফাটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার আশ্বাস দিচ্ছে, কিন্তু ডিজিটাল নজরদারি, কালাকানুন ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সীমা নিয়ে রয়েছে নীরব।
গাজার এই সাংবদিকরাই এখন বিশ্বের চোখ ও কান, ইসরায়েল তাই তাদেরকেই টার্গেট করেছে এবং হত্যা করে চলেছে।
ডানপন্থি রাজনৈতিক কর্মী চার্লি কার্ক হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে জনপ্রিয় ‘জিমি কিমেল লাইভ’ শো বন্ধ করে দিয়েছে এবিসি টিভি নেটওয়ার্ক। এতে বাকস্বাধীনতার খর্ব নিয়ে নিন্দা জানিয়েছে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ অনেকে।
‘জিমি কিমেল লাইভ’ শো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, কিছু টিভি নেটওয়ার্কের লাইসেন্স বাতিল করা উচিত।
ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কার্যালয় স্থাপন নিয়ে চলছে নানান বিতর্ক। সরকার বলছে ‘বাংলাদেশের স্বার্থেই’ হয়েছে, কিন্তু কবে, কীভাবে ও কেন এই চুক্তি হলো—সে বিষয়ে রয়েছে অস্পষ্টতা।