০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এমন সময় দিল্লির এ বক্তব্য এল, যখন আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর তলানিতে পৌঁছানো দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে বিএনপি সরকারের সঙ্গে কাজ করার কথা বলছে ভারতের নরেন্দ্র মোদীর সরকার।
শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের সঙ্গে বিএনপি সরকারের আলোচনা হওয়ার কথাও বলেছেন প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
“যেহেতু শেখ হাসিনা ওখানে আছে, তাকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারটায় বর্তমান বিএনপি সরকার সচেষ্ট আছে।”
“আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দল। এটা সবচেয়ে পুরনো দল। ৭০ বছর ধরে আছে। তাকে সঙ্গে নিয়ে অথবা তাকে ছাড়াই এ দল চলবে। তিনি… কেউ তো চিরদিন বাঁচে না।”
টিউলিপের সাজার ফলে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ হওয়ার আশঙ্কা না দেখলেও ‘প্রচ্ছন্ন অসন্তোষ’ তৈরির সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত না দিলেও এই একটি বিষয়ে সম্পর্ক ‘আটকে থাকবে না’, মন্তব্য করেন তৌহিদ হোসেন।
“আমার মায়ের জীবন রক্ষার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী (নরেন্দ্র) মোদীর সরকারের কাছে চিরকৃতজ্ঞ,” বলেন জয়।
“কেবল আইনি বাধ্যবাধকতার উপরে নয়, ভারতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বেশি নির্ভর করছে ভূ-রাজনৈতিক বিবেচনার উপর,” বলছেন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত প্রভু দয়াল।