০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়ার পর প্রথমবার বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচে জিততে পারল ইংল্যান্ড।
সব ধকল পেছনে ফেলে, কোনো চাপ ছাড়াই এবারের বিশ্বকাপে নামা মেসি যেন আরও বেশি ভয়ঙ্কর, আরও বেশি সুন্দর। প্রতি ম্যাচে ৫ থেকে ১০ সেকেন্ডের সামান্য ফাঁক পেলেই মেসিময় করে তুলছেন মাঠ। মেসি ম্যাজিকে চড়ে আর্জেন্টিনা কি পারবে পরপর দুবার বিশ্বকাপ জয় করতে?
প্রতি চার বছর পর পৃথিবীতে এক অদ্ভুত সময় আসে। নিজের দেশ নয়, অন্য দেশের জন্য মানুষ কাঁদে, চিৎকার করে, প্রার্থনা করে, পতাকা উড়িয়ে উল্লাস করে। কিন্তু কেউ তাকে দেশদ্রোহী বলে না।
বিশ্বকাপে স্পেনের দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতাও এখন লামিন ইয়ামাল।
কেবল দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে একই ম্যাচে ২০ বছরের নিচের দুই জনকে খেলাল ব্রাজিল।
যুদ্ধ আর উন্মাদনায় যখন পথ হারাচ্ছে পৃথিবী, তখন চোখ ফেরানোর একমাত্র অবলম্বন ফিফা বিশ্বকাপ। কিন্তু আমাদের দেশের চিরচেনা ফুটবল উন্মাদনা কি শেষ পর্যন্ত ‘বিশ্বকাপ’ নাকি ‘বিশ্বচাপ’ তৈরি করছে? আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থন করতে গিয়ে আমরা কি হারিয়ে ফেলছি পারস্পরিক সৌজন্যবোধ?
১৯৫৮ বিশ্বকাপে রূপকথা রচনার পথে ফাইনালে এই জার্সি গায়ে দুটি গোল করেছিলেন ১৭ বছর বয়সী বিস্ময়-বালক।