২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
“বাংলাদেশের পণ্য পূর্ব তিমুরে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই রপ্তানি বিশাল মাইলফলক,” বলেন মোহাম্মদ ইউসুফ আলী।
রোহিঙ্গা ‘গণহত্যার’ অভিযোগে যখন মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে মামলা চলছে, তখন পূর্ব তিমুরের সঙ্গে এই কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দিল।
দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত এশিয়ার একমাত্র এই দেশটির অর্থনীতি আসিয়ানে যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে গতিশীল হয়ে ওঠার আশা করছে।
পূর্ব তিমুর কিংবা অনেকের কাছে তিমুর লেস্তে নামে পরিচিত দেশটির জনসংখ্যা মাত্র ১৩ লাখ, আয়তন কাতারের চেয়ে সামান্য বেশি।
“স্বাধীনতার পর পূর্ব তিমুরকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম সারির দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।”
মুহাম্মদ ইউনূস এবং পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস হোর্তার উপস্থিতিতে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে চুক্তি সই হয়।
প্রেসিডেন্ট জোসে রামোস হোর্তা বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।