১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে ৫২ হাজার ৪৯৩টি পরিবার।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কক্সবাজার জেলায়।
সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে থাকায় সড়কগুলো এখনো পানির নিচে।
বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকায় মোবাইল নেটওয়ার্কও পাওয়া যাচ্ছে না।
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বাঁশখালীর অনেক জায়গা প্লাবিত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্লাবিত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা।
উজানের ঢল আর টানা বৃষ্টিতে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর কিছুটা কমে বিপৎসীমার নিচে বইছে। তবে নিম্নাঞ্চলে দেখা দিয়েছে বন্যা।
“পুরো ঘর পানিতে ডুবে গেছে, পরিবার নিয়ে নিরাপদ স্থানে যাচ্ছি।”
“লেকের পানি সামান্য বাড়লেই সিলেটি পাড়া, চট্টগ্রাম পাড়া আগে ডোবে। এবারও তাই হয়েছে।”