২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
“আসুন আমরা জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করি। সচেতনতা বৃদ্ধি করার মাধ্যমে এই সমস্যাটা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।”
দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা পলিথিন বর্জ্য পরিষ্কার করা হচ্ছে ঢাকায় বুড়িগঙ্গার পানিতে। বস্তাভরে আনা মোটা পলিথিনগুলো ধুয়ে তোলার পর সেগুলো নেওয়া হচ্ছে রিসাইক্লিং কারখানায়। সেখানে পলিথিন গলিয়ে তৈরি করা হচ্ছে নানা রকমের প্লাস্টিক পণ্য।
“সরকার পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। অথচ দেখেন, না বিক্রি বন্ধ হয়েছে, না ব্যবহার বন্ধ হয়েছে, না উৎপাদন বন্ধ হয়েছে,” বলেন পরিবেশ উপদেষ্টা।
“প্লাস্টিক এমন জিনিসে দাঁড়িয়ে গেছে যে ক্রমাগত হুংকার দিচ্ছে। ‘হয় আমরা থাকব, না হয় তোমরা থাকবে। দুজন একসঙ্গে থাকতে পারবে না।’”
ছয় মাস আগে পলিথিন নিষিদ্ধের কথা বলা হলেও যথেচ্ছ ব্যবহার থামেনি। ক্রেতা-বিক্রেতা দু’পক্ষই বলছে, পলিথিন বন্ধে বড় পরিসরে বিকল্প ব্যাগের ব্যবস্থা যেমন জরুরি, তেমনই পলিথিন কারখানাও বন্ধ হওয়া দরকার; কেবল নিষিদ্ধ ঘোষণা আর মাঝেমধ্যে অভিযানে ব্যবহার ঠেকানো যাবে না।
“পলিথিনের বিকল্প যেটা আছে, সেটাকে বাজারে অ্যাভেইলঅ্যাবল করতে না পারার কারণে আগেও পলিথিন নিষিদ্ধটা বাস্তবায়ন করতে পারি নাই,” বলেন কামরুজ্জামান মজুমদার।
উড়ে আসা পলিথিন সরানোর পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
পলিথিন পাওয়া করখানাগুলো সিলগালা করে ফিরে যাওয়ার সময় তাদের গাড়ি আটকে হামলা চালানো হয়।