০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বাংলার লোকজ ধারণা অনুযায়ী যার মান ও হুঁশ আছে সেই মানুষ।
রাষ্ট্র একটি ইহলৌকিক সত্তা। তার নৈতিকতার ভিত্তি গণস্বার্থ। আধুনিক রাষ্ট্র গঠিত হয় সকল মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের শর্তে।
ক্ষমতার ধর্ম তখনই সবচেয়ে খারাপ রূপ ধারণ করে, যখন সে ধর্মকে নিজের ভাষায় পরিণত করে। তখন ক্ষমতা রাজনৈতিক সীমা অতিক্রম করে নিজেকে পবিত্র সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।
যাদের শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে জয়ের সম্ভাবনা কম, তারা ছাত্র সংসদ নির্বাচনে যতটা সরব, শিক্ষক সমিতির প্রশ্নে ততটাই নীরব। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি শুধু একটি ক্যাম্পাসের গল্প নয়, আমাদের সামগ্রিক রাজনৈতিক-সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি।
কোনো সমাজে যখন খবর আর গুজব এক হয়ে যায়, যখন সমাজের বিরাট অংশের মানুষ গুজবকে খবর বলে বিশ্বাস করে, তখন সেখানে প্রথমে মার খায় সাংবাদিকতার নীতি এবং নৈতিক সাংবাদিকতা।
সবচেয়ে বড় সামাজিক পরিবর্তনগুলো কখনোই ডিগ্রির সিঁড়ি বেয়ে আসেনি। এসেছে অভিজ্ঞতা ও নৈতিক সাহস থেকে। তবু আজ আমরা রাজনীতিকে একাডেমিক ক্লাবে রূপ দিতে চাইছি।
একসঙ্গে সংসদ ও গণভোট, প্রবাসী ভোটারদের অংশগ্রহণ, জোটবদ্ধতা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে আসন্ন নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের বড় পরীক্ষা।
আজকের পৃথিবীতে সত্যের সবচেয়ে বড় শত্রু মিথ্যা নয়, বরং অর্ধসত্য। রাজনীতি এই অর্ধসত্য তৈরি করে, করপোরেট তা পোষণ করে, প্রযুক্তি তা প্রচার করে, আর মানুষ তা গ্রহণ করে।