২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
“কয়েকটি ঘটনা ভাইরাল হওয়ার পর দিন-দুপুরেও ছেলে মেয়েদের নিয়ে বের হলে মনের ভেতরে আতঙ্ক কাজ করে কখন যেন কি হয়ে যায়।”
জামায়াত ও অন্যান্য ইসলামপন্থী দলগুলোর আন্দোলন কি আসন সমঝোতা বা নির্বাচনের পরে ক্ষমতার অংশ হওয়ার কৌশল হিসেবে কাজ করছে, নাকি তা সত্যিই গণভোট ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে সীমাবদ্ধ—এই প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া সুযোগ নেই।
শিক্ষার্থী হলো শিক্ষকের ‘ক্লায়েন্ট’—এমন মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষক—উভয়েরই সম্মান ও মর্যাদা আছে। সমাজে মূল্যবোধ ধরে রাখতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা জরুরি।
তবে এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান চুন্নু।
“শ্রমিকদের ওপর গুলি, জাতীয় ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর সাম্প্রদায়িক আক্রমণ, মাজার ভাঙা, ‘মব জাস্টিস’, ভিন্নমতের ওপর আক্রমণ চলছে”, বলেন তিনি।
পুলিশ কী করছে জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর থানার ওসি ইফতেখার হাসান নিজেই অপরাধ বর্ণনার ঝাঁপি খুলে বসেন।
এলাকায় এলাকায় দল বেঁধে চলছে পাহারা। মধ্যরাতে মূল সড়কে লাঠি হাতে তরুণের দল গাড়ি থামার নির্দেশ দিলে জাগে ভয়।
“কামরুজ্জামান সাঈদী সোহাগ নামে একজন বাংলাদেশ ব্যাংকের দরজা দিয়ে প্রবেশ করেন”, বলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তা।