২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
তিস্তার চরে তামাকের সবুজ বিস্তার থাকলেও ভোটের মাঠ ছিল প্রায় শূন্য। উন্নয়নহীনতা, দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতিভঙ্গ ও রাজনৈতিক অবিশ্বাসের ভেতর দিয়ে ধর্মীয় বয়ানই যেন হয়ে উঠেছে প্রধান নির্বাচনি সুর।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রে নারীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রবীণ ভোটারদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রথম ভোটের স্বাদ নিয়েছেন তরুণীরাও।
আওয়ামী লীগ নেই ভোটের মাঠে, তাদের ভোট আছে রাজনীতির অঙ্কে। তবে বিএনপি না জামায়াত—শেষ সিদ্ধান্তটা নতুন ও নারী ভোটারদের হাতে।
এবার তরুণ ভোটাররা ‘বেশি সচেতন’, তাই নির্বাচনে ভোট পড়ার হার বেশি হতে পারে, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকরা।
প্যানেল না স্বতন্ত্র?—চাপা উত্তেজনায় ভোটাররা। এবারের ডাকসু নির্বাচনের আগে এসব বহুবিধ প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
এ বিষয়ে উপাচার্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় রিট আবেদনটি করা হয়।
২০২৫ সালের খসড়া ভোটার তালিকায় পুরুষের চেয়ে নারী ভোটার প্রায় ৩০ লাখ কম বলে তুলে ধরেন একজন নির্বাচন কমিশনার।
“সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”