০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
মাত্র ৫ কার্যদিবসে শিশু রামিসা হত্যার রায়—বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা। কিন্তু যে রাষ্ট্র এখানে এতটা তৎপর, সেই একই রাষ্ট্র সাগর-রুনি বা তনু হত্যা মামলায় কেন যুগ পার করে দেয়? কেন ৮ বছরের মেয়ে আয়েশা আক্তারের শ্লীলতাহানির বিচার না পেয়ে মেয়েকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন হযরত আলী? বিচারে কেন এমন ‘পিক অ্যান্ড চুজ’ নীতি?
কোনো শিশু ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে খুন হওয়ার পর দেশজুড়ে তোলপাড় না হলে কি প্রশাসন নড়েচড়ে বসবে না? তাহলে যে শিশুদের কথা অনালোচিত রয়ে যায়, তাদের পরিবার কি শুধুই বিচারের আশায় দিন গুনবে?
বাংলাদেশে ধর্ষণ বা যে কোনো অপরাধের ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে বড় বাধা প্রধানত দুটি। পুলিশের তদন্ত এবং উচ্চ আদালতে গিয়ে রায়ের বাস্তবায়ন আটকে যাওয়া বা প্রলম্বিত হওয়া।
বর্তমান আইনে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার শেষ করার কথা বলা আছে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ১৮০ দিনের মধ্যেও বিচার শেষ হয় না। অথচ এখন আইন সংশোধন করে এই সময়সীমা ৯০ দিনে নিয়ে আসা হচ্ছে।