২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
আদালত বলেছে, বর্তমান ব্যবস্থায় বিয়ে ও তালাকের তথ্য কার্যকরভাবে যাচাই করা সম্ভব হয় না, যা পারিবারিক স্থিতিশীলতাকে ক্ষুণ্ন করে এবং অনেক ক্ষেত্রে সন্তানের বৈধতা নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়।
“আঙ্গুরিকে ভালবেসে বিয়ে করেছিলাম। কখনও ভাবিনি সে চলে যাবে।”
২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি রুহুল আমিন জয় আদালতে ভুয়া খোলা তালাকের জাবেদা নকল দাখিল করেন।
দেনমোহরের ৫০ হাজার টাকা উসুল দেখিয়ে ২ লাখ টাকা বাকি রাখা হয়। আদালত এখন ২ লাখ ৬২ হাজার টাকা পরিশোধের রায় দিয়েছেন।
বাবার অভিযোগ, যৌতুকের জন্য মেয়েকে নির্যাতন করা হচ্ছিল।
“এটা কেমন কথা? দলের সঙ্গে সংসারের কী সম্পর্ক?”