০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
একটানা কাজ না করে মাঝেমাঝে কর্মক্ষেত্র থেকে অবসর নিতে চান জেন জি ও মিলেনিয়ালরা। এর পেছনে আছে কাজের একঘেঁয়েমি থেকে মুক্তি, শারিরীক-মানসিক স্বাস্থ্য ভাল রাখাসহ আরও নানা কারণ।
আরব বসন্ত থেকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, কিংবা বাংলাদেশের চব্বিশের অভ্যুত্থান—ডিজিটাল মিম-রাজনীতি কীভাবে মাঠের ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করছে? পুরোনো দলগুলো কেন তরুণদের ভাষা বুঝতে ব্যর্থ?
মাত্র ৫ দিনের মধ্যে ইনস্টাগ্রামে এই পার্টির অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ২০ মিলিয়নে পৌঁছে গেছে। এর মধ্যেই প্রধান দুই রাজনৈতিক দল বিজেপি ও কংগ্রেসের ইনস্টাগ্রাম অনুসারীর সংখ্যা (যথাক্রমে ৮.৮ ও ১৩.৩ মিলিয়ন) ছাড়িয়ে গেছে তেলাপোকাদের নতুন এই পার্টি।
দাবি আদায়ের আন্দোলন থেকে আড্ডা, ফেইসবুক পোস্ট-সব জায়গায় বদলে গেছে তরুণ প্রজন্মের ভাষাভঙ্গি। প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাবে তৈরি এ ভাষারীতি বাংলা শব্দ ভাণ্ডারকে আদৌ সমৃদ্ধ করেছে?
দুর্নীতির প্রতি অসহিষ্ণুতা, বৈষম্যবিরোধী আকাঙ্ক্ষা এবং নৈতিকতামুখী রাজনীতি—এগুলোই জেন-জির রাজনৈতিক মানসিকতার মূল। কিন্তু নির্বাচনের ডামাডোলে সেই আকাঙ্ক্ষা কি হারিয়ে যাচ্ছে?
বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মনিরুজ্জামান চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সার্কেলের আয়কর কর্মকর্তা। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য কলকাতায় চলে যান। মুজিবনগর সরকারের ইয়ুথ অ্যান্ড রিসেপশন ক্যাম্পের উপ পরিচালক ছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রকাশিত ‘রক্তরেখায় বাংলাদেশ’ সংকলনের প্রথম খণ্ডের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তরুণ প্রজন্মের প্রতি প্রত্যাশা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।
যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদউল্লাহ ৪ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম প্রকাশিত ‘রক্তরেখায় বাংলাদেশ’ সংকলনের প্রথম খণ্ডের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেছেন।