২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
একদিকে মুসা খান মসজিদের মতো মোগল স্থাপনা সংস্কারে অর্থায়ন, অন্যদিকে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অসম এক বাণিজ্য চুক্তির জোয়াল— এই দ্বিমুখী নীতির গভীরে লুকিয়ে আছে কোন ভূ-রাজনৈতিক লক্ষ্য?
শূন্য সন্ত্রাস, শূন্য চাঁদাবাজি এবং শূন্য মব—এগুলো কোনো রাজনৈতিক দাবি নয়, এগুলো নাগরিকের মৌলিক অধিকার। কিন্তু রাষ্ট্র যদি সেই অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হয়, তবে প্রশ্ন ওঠে—আইন কার জন্য?
প্রশ্ন উঠছে তার বিদায়ে পরিস্থিতির উন্নতি হবে নাকি আসল ‘ডেভিল’দের আড়াল করতেই এই পদত্যাগ?
একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক গ্রিড আঞ্চলিক ঐক্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে, যা দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা এবং শান্তির পথে সহায়ক হবে। দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সহজ হবে।
অন্তত তিন বার জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের আলাপ সরকারি পর্যায়েও হয়েছে। এখন আবার পুরোনো আলাপটিকে নতুন করে সামনে এনে আমাদের যে পরীক্ষার মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
যে গানটি গাইতে গাইতে দেশের বাইরের বাংলাদেশিরা কেঁদে বুক ভাসায়, স্টেডিয়াম থেকে যে কোন অনুষ্ঠানে যে গানটি তাদের বল জোগায় সে গানটি বদল করার হীন চেষ্টা কোন ব্যক্তির চাওয়া নয়। এর পেছনে একটি অপশক্তি কাজ করছে, যা অন্তর্বর্তী সরকার বা রাষ্ট্রের শক্তিকে দুর্বল করতে চায়।
ন্যায়পাল পদের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে কাজের সমতা, সততা ও স্বচ্ছতা বিধান এবং সুনির্দিষ্টভাবে প্রশাসনের যে কোনো ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের গতিবিধির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ।
আজকাল পৃথিবীর অনেক দেশে তরুণরা রাজনীতিতেও সফল নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন। সাম্প্রতিক এক উদাহরণ হতে পারে ফ্রান্স। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী গ্যাব্রিয়েল আতালের বর্তমান বয়স মাত্র ৩৫ বছর। ওদিকে, নিউজিল্যান্ডে জেসিন্ডা প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন মাত্র ৩৭ বছর বয়সে।