২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ক্যামেরাটি আকাশের প্রতিটি নির্দিষ্ট অংশের দিকে প্রায় ৮০০ বার তাকাবে, যাতে মহাকাশের যে কোনো পরিবর্তন বা মহাজাগতিক ঘটনা নিখুঁতভাবে রেকর্ড করা যায়।
ডার্ক ম্যাটারের প্রকৃতি উদ্ঘাটনে বিশ্বের বিভিন্ন গবেষণাগারে দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষা চলছে। পাশাপাশি মহাকর্ষের বিকল্প ব্যাখ্যাও প্রস্তাব করেছেন কিছু গবেষক।
নিউট্রিনো যে কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে অনায়াসে চলে যেতে পারে। বাস্তবে প্রতি সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন নিউট্রিনো অজান্তেই মানুষের দেহের ভেতর দিয়ে চলাচল করছে।
মহাজাগতিক জালের এ মানচিত্রে ডার্ক ম্যাটার, গ্যাস ও তন্তুর মতো মহাকাশের বড় বিভিন্ন বস্তুকে একে অপরের সঙ্গে যোগ করেছে গবেষণা দলটি।
পদার্থবিজ্ঞানের প্রচলিত ধারণা অনুসারে, ডার্ক ম্যাটার ‘ঠান্ডা’ প্রকৃতির এবং অন্য কোনো কণার সঙ্গে কোনো প্রকার প্রতিক্রিয়া ছাড়াই স্বচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারে।
এ কাজে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‘অল লেন্স’ টেলিস্কোপ এবং বিশেষ কিছু ফিল্টার ব্যবহার করবে, যা হাইড্রোজেন গ্যাসের অনেক ক্ষীণ আলোও দেখতে পায়।
শুরুতে ডার্ক ম্যাটার ও সাধারণ পদার্থ উভয়ই খুব পাতলা স্তরে ছড়িয়ে ছিল। এরপর ডার্ক ম্যাটার ধীরে ধীরে জমাট বাঁধতে শুরু করে ও সাধারণ পদার্থকে নিজের দিকে টেনে আনে।
প্রথমবার এমন কোনো মহাজাগতিক বস্তুর সন্ধান পাওয়া গেল, যা বিজ্ঞানীদের আদি মহাবিশ্ব ও ডার্ক ম্যাটারের প্রকৃতি সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পেতে সাহায্য করতে পারে।