০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
এ অবস্থা শুধু সুনামগঞ্জ জেলায় নয়, নেত্রকোণার গারো পাহাড়ের নিম্নাঞ্চল ও সমতলেও অনেক জায়গায় জলাবদ্ধতায় জমির ফসল হারিয়েছে কৃষক। হবিগঞ্জ ও কুমিল্লার জেলাতেও হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে।
চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ১ লাখ ৬৬ হাজার ৯৪০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল, আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯১৫ হেক্টর।
ক্ষণে ক্ষণে আকাশ কালো হয়ে থেমে থেমে ঝরছে আষাঢ়ের বৃষ্টি। এর মধ্যে পথ চলতে বিপত্তি দেখা দিলেও অনেকেই প্রকাশ করেন উচ্ছ্বাস।
“রিকশা-অটোরিকশা কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না। বাসা থেকে অফিসে পৌঁছাতে হিমশিম খেতে হয়েছে।”
বৃষ্টিতে বাজারগুলো ছিল ক্রেতা শূন্য। ক্রেতা না থাকায় অনেকেই দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যান।
গত ৪৮ ঘণ্টায় বাগেরহাট জেলায় ৯৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এটি এই বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত।
গত বছরে আগস্টে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বুড়িবুড়িয়া এলাকায় গোমতী নদীর বাঁধ ভেঙে বানের পানিতে তলিয়ে যায় শতাধিক গ্রাম।
জেলা প্রশাসক বলেন, “আগামী দু-একদিন বৃষ্টি না হলে আমরা এই দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণ পাব বলে আশা করছি।”