২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
পুলিশ বলছে, আবদ্ধ ঘরে গ্যাস জমে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে ওই সেলুনের কর্মীরা এসি বিস্ফোরিত হওয়ার কথা বলছেন।
“তিতাস গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ঘরে গ্যাস জমা হয়।”
এ পরিবারের দুই ভাই এখনো বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।
একই এলাকায় আরেক বিস্ফোরণে পাঁচ সদস্যের পরিবারের সবাই প্রাণ হারিয়েছেন।
দগ্ধ ব্যক্তিরা পথচারী নাকি ওই গ্যারেজের কেউ, পুলিশ তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে পারেনি।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্নিগ্ধা, আয়েশা ও আনাছের অবস্থাও ভালো নয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাকি তিনজনের মধ্যে তানভীরের অবস্থা আশঙ্কাজনক, বলেন চিকিৎসক শাওন বিন রহমান।
বৈলতলী ইউনিয়নে বৃহস্পতিবার সকালে সিলিন্ডার ‘লোড-আনলোডের’ সময় বিস্ফোরণ ঘটে; দগ্ধ হন গুদামের মালিকসহ ১০ জন।