৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
বর্তমানে তীব্র ক্রান্তীয় ঝড়, দূষণ ও সমুদ্রের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে তৈরি ‘ব্লিচিং’ বা বিবর্ণ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনার ফলে চরম সংকটের মুখে পড়েছে প্রবাল প্রাচীর।
নোবেলজয়ী জলবায়ু বিজ্ঞানী ১৯৬০-এর দশকে যেসব জলবায়ু মডেল তৈরি করেছিলেন তাতেই ইঙ্গিত মিলেছিল, কার্বন ডাই অক্সাইড বেড়ে গেলে বায়ুমণ্ডলের নিম্নভাগ উষ্ণ ও ওপরে শীতল হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ দশকের শেষদিকে মহাকাশ খাতের মোট পরিবেশ দূষণের প্রায় ৪২ শতাংশই আসবে এসব স্যাটলাইট উৎক্ষেপণের কারণে।
প্রকল্পের আওতায় পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায়ে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ, জলাশয়ের পানি পরিশোধন এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষিকে উৎসাহিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে।
লিথিয়াম উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা দশগুণ থাকলেও, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি বা আমদানি বৃদ্ধি না হলে দ্রুত বাড়ন্ত এ চাহিদা মেটাতে তা যথেষ্ট হবে না।
সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে রয়েছে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আন্দিজের বিভিন্ন হিমবাহ, যা ২১০০ সালের মধ্যে প্রায় পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে।
“আমাদের আদি পূর্বপুরুষরা হয়তো আগেও পৃথিবীতে এ ধরনের পরিবর্তনের মধ্যদিয়ে গেছেন। যার প্রভাব সম্ভবত মানব বিবর্তন, এমনকি নিজস্ব জেনেটিক চেহারা গঠনের উপরও পড়েছিল।”
লাখ লাখ বছর আগে আটলান্টিক মহাসাগর থেকে আসা পানির প্রবাহকে জিব্রাল্টার প্রণালীর মধ্যদিয়ে ভূমধ্যসাগরে আসতে বাধা দিয়েছে টেকটোনিক প্লেটের স্থানান্তর ও ভূমির বাড়তি উচ্চতা।