১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরেও বৃহত্তর ময়মনসিংহের গারো, হাজং, কোচদের দিন কাটছে আতঙ্ক নিয়ে। অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের যে স্বপ্ন আমরা দেখি, তা কি এই আদিবাসী জনপদকে বাদ দিয়ে আদৌ সম্ভব?
কেন বারবার নিজ ভূমিতেই পরবাসী হতে হচ্ছে গারোদের? উন্নয়নের দোহাই আর প্রভাবশালীদের দখলে হারিয়ে যাচ্ছে এক প্রাচীন জাতিসত্তার অধিকার।
মুক্তিযুদ্ধের সময় আদিবাসী-বাঙালিতে ছিল না কোনো ভেদাভেদ। সবার ওপরে ছিল দেশ।
রাংটিয়া শালবন নিয়ে মুনাফা, বাণিজ্য কিংবা দখলের কোনো রাজনীতি না হোক। বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, অর্থনীতি এবং জীবনজীবিকা বিকাশে এই বনের পরিবেশগত অবদান অপরিসীম। কোনোভাবেই এই বনের ন্যূনতম ক্ষয়ক্ষতি আমরা মানব না।
আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন দাবি করেন বক্তারা।
নতুন ফসল ঘরে তোলার সময় 'মিশি সালজং'কে ধন্যবাদ জানাতে উৎসবের আয়োজন করে তারা।
“সরকার বিভিন্ন সময় প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবায়ন ঘটেনি; আমরা আর কোনো প্রতিশ্রুতি চাই না,” বলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের এক নেতা।
পাঁচ শতাংশ কোটা কমিয়ে এক শতাংশ করে আদালত যে রায় দিয়েছেন, তা আদিবাসীদের জন্য মানবিক, ন্যায়সঙ্গত ও যুক্তিযুক্ত হয়নি বলে আমরা মনে করছি।