০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৬০ হাজার টন গমের চালান চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর পর সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরে খাদ্য বিভাগের সাইলো জেটিতে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সেখানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন গম আমাদানির এ সিদ্ধান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেন।
সই হওয়া এমওইউ এর অধীনে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টন গম আমদানি করবে বাংলাদেশ।
পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম, সয়াবিন তেল ও তুলা কেনার পরিমাণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তন না ঘটলে বিশ্বজুড়ে এসব গুরুত্বপূর্ণ শস্যের উৎপাদন বর্তমানে যে পরিমাণ হচ্ছে, তার তুলনায় ৪ থেকে ১৩ শতাংশ বেশি হতো।
উপদেষ্টা বলেন, “আমরা সুষম খাবারের নিশ্চয়তা চাই। সেজন্য খেজুর, সয়াবিন, মাংস, মাছ ডিম, দুধ ও ডালের সরবরাহ নিশ্চিত করতে চাই।”
মূল্যস্ফীতি যখন দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ পর্যায়ে এবং খাদ্য মূল্যস্ফীতি আরও উঁচুতে, তখন চালের দাম নতুন করে না বাড়াটা জরুরি। এখন চাল আমদানি করাটাও কঠিন।