২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
জয়পুরহাটের কোরবানির হাটে কমেছে ভারতীয় গরুর দাপট। তবে গবাদিপশুর দামে ‘সন্তুষ্ট নন’ ক্রেতা-বিক্রেতারা।
অনেক খামার এখন ক্রেতাদের আধুনিক সেবা দিচ্ছে। অনলাইন বুকিং ও লাইভ ভিডিওর সুবিধা থাকায় অনেক উন্নত জাতের পশু হাটে ওঠার আগেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।
উত্তরাঞ্চলের নদীগুলোতে জেগে ওঠা চরগুলো শুধু বসতি নয়, হয়ে উঠছে কৃষি ও গবাদিপশু লালন-পালনের কেন্দ্র। ভূমিহীন নদীভাঙা মানুষ এভাবেই দেশের অর্থনীতিতে সম্ভাবনার নতুন অধ্যায় লিখছেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এ বছর জেলায় ৩০ হাজার কোরবানির পশু প্রস্তুত আছে।
“এই ঘাস তখন প্রাকৃতিকভাবে প্রচুর ইউরিয়া জাতীয় সার পায়। এতে নাইট্রোজেনের আধিক্য থাকে।”
এ ঘটনায় তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে গবাদিপশু পালন করা হচ্ছে। জেলার প্রাণিজ আমিষের চাহিদা মিটিয়ে এখন মাংস সরবরাহ হচ্ছে দেশের অন্য জেলাতেও।
ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন বন্যা আক্রান্ত অঞ্চলে ১৫ দিন ধরে এই চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনা করা হয়েছে।