২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
এআইকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য লেখকদের বই ব্যবহার করাকে ‘ফেয়ার ইউজ’ বা বৈধ ব্যবহার হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে। তবে, পাইরেটেড বই সংরক্ষণ করায় কপিরাইট লঙ্ঘন হয়েছে।
এআই সার্চ কোম্পানিটির বিরুদ্ধে ‘ব্যাপক মাত্রায় কপিরাইট লঙ্ঘনের’ অভিযোগ এনেছে সিএনএন, যার মধ্যে ১৭ হাজারেরও বেশি প্রতিবেদন নকলের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কপিরাইট ও ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের পাশাপাশি ডুয়া লিপা স্যামসাংয়ের বিরুদ্ধে ‘পাব্লিসিটি রাইটস’ বা নিজের ব্যক্তিগত পরিচিতি অপব্যবহারের অভিযোগও এনেছেন।
এই টুল খুব অল্প টেক্সট নির্দেশনা থেকে দ্রুত বাস্তবসম্মত ভিডিও ক্লিপ তৈরি করতে পারে। আর, এতে হলিউডে উদ্বেগ বাড়ছে।
ম্যাকানহের কণ্ঠ বা চেহারা কি এরইমধ্যে এআই ব্যবহারে নকল হয়েছে? তার আইনজীবীরা বলছেন, এখনো তেমন নির্দিষ্ট উদাহরণ তারা দেখেননি।
এআই সিস্টেমকে প্রশিক্ষণ দিতে হাজার হাজার বই চুরি ও ইন্টারনেট থেকে বেআইনিভাবে নেওয়া অন্যান্য কপিরাইট লঙ্ঘনকারী উপাদান ব্যবহার করেছে অ্যাপল।
অ্যাপল কোনো লেখকের সম্মতি নেয়নি এবং ক্রেডিট দেয়নি এমনকি কোনো ধরনের আর্থিক ক্ষতিপূরণও দেয়নি।
ওই দুই প্রযোজনা কোম্পানি ক্ষতিপূরণ হিসেবে মেটার কাছে মোট ৩৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার পর্যন্ত দাবি করেছে।