০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

ফের কপিরাইট মামলা অ্যানথ্রপিকের বিরুদ্ধে, বাদী সনি, ওয়ার্নার

‘ইতিহাসে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে স্পষ্ট চুরিগুলোর একটি’ অ্যানথ্রপিক করে চলেছে বলে অভিযোগ করেছে বাদী দুই কোম্পানি।

ফের কপিরাইট মামলা অ্যানথ্রপিকের বিরুদ্ধে, বাদী সনি, ওয়ার্নার
এর আগেও দুটি বড় সংগীত প্রকাশনা কোম্পানি অ্যানথ্রপিকের বিরুদ্ধে একই অভিযোগে মামলা করেছিল। ছবি: এআই

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 30 Aug 2026, 02:44 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:33 PM

কপিরাইট আইন ‘স্পষ্টভাবে লঙ্ঘনের’ অভিযোগে অ্যানথ্রপিকের বিরুদ্ধে যৌথভাবে মামলা করেছে দুই বড় সংগীত প্রকাশনা কোম্পানি সনি মিউজিক পাবলিশিং ও ওয়ার্নার চ্যাপেল মিউজিক।

‘ইতিহাসে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে স্পষ্ট চুরিগুলোর একটি’ অ্যানথ্রপিক করে চলেছে’ বলে অভিযোগ করেছে বাদী দুই কোম্পানি। শুক্রবার করা মামলায় তারা অভিযোগ করেছে, ক্লড কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল প্রশিক্ষণের জন্য অ্যানথ্রপিক বিপুল পরিসরে কপিরাইট সুরক্ষিত কাজ অবৈধভাবে সংগ্রহ করেছে।

অ্যানথ্রপিক ‘বিপুল পরিসরে কপিরাইট সুরক্ষিত কাজ অবৈধভাবে টরেন্ট করা, স্ক্র্যাপ করা ও ডাউনলোড করার নির্লজ্জ অভিযান চালিয়েছে’ বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। 

“এই চুরির উদ্দেশ্য হচ্ছে ক্লড মডেল প্রশিক্ষণের জন্য এসব সৃষ্টিকর্ম ব্যবহার করা।” - মামলায় করা অভিযোগ অনুসারে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সাইট এনগ্যাজেট।

সনি মিউজিক পাবলিশিং ও ওয়ার্নার চ্যাপেল মিউজিক মামলায় জুরি বিচারের আবেদন জানিয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি লঙ্ঘিত কাজের জন্য সর্বোচ্চ এক লাখ ৫০ হাজার ডলার এবং কপিরাইট ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত তথ্য মুছে ফেলার প্রতিটি ঘটনার জন্য ২৫ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়েছে কোম্পানি দুটি।

মামলায় দাবি করা হয়েছে, ‘হাজারের পর হাজার’ কপিরাইট সুরক্ষিত সংগীত রচনা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে ক্লড মডেল প্রশিক্ষণে ব্যবহার করা হয়েছে। অভিযোগ সত্য হলে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ কয়েকশ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে।

মামলাটি নিয়ে মন্তব্য জানতে অ্যানথ্রপিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের দিক থেকে কোনো জবাব মেলেনি।

এর আগেও দুটি বড় সংগীত প্রকাশনা কোম্পানি অ্যানথ্রপিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। কনকর্ড মিউজিক গ্রুপ ও ইউনিভার্সাল মিউজিক গ্রুপের অভিযোগ ছিল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষণের জন্য অ্যানথ্রপিক ২০ হাজারের বেশি কপিরাইট সুরক্ষিত গান অবৈধভাবে ডাউনলোড করেছে। ওই মামলায় তারা ৩০০ কোটি ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল।

এর আগে লেখকদের একটি দলও অ্যানথ্রপিকের বিরুদ্ধে কপিরাইট মামলা করেছিল। তাদের অভিযোগ ছিল, অ্যানথ্রপিক তাদের সুরক্ষিত কাজের পাইরেটেড কপি ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল প্রশিক্ষণ দিয়েছে। পরে ওই মামলাটি ১৫০ কোটি ডলারে নিষ্পত্তি করে অ্যানথ্রপিক, যা সে সময় রেকর্ড পরিমাণ নিষ্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।