২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
কঙ্গোয় ইবোলা নিয়ে চরম হতাশা আর মৃত্যুর মাঝে ইবোলা থেকে প্রতিটি রোগীর সেরে ওঠাই স্বাস্থ্যকর্মী এবং সাধারণ মানুষের মনে এই মহামারী নিয়ন্ত্রণে আনা নিয়ে নতুন আশা জাগাচ্ছে।
সেমিকন্ডাক্টর থেকে শুরু করে স্মার্টফোনের মতো প্রযুক্তি পণ্য তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় টাংস্টেন, টিন, ট্যানটালাম ও সোনার চাহিদা আকাশচুম্বী হচ্ছে এবং বাড়ছে খনি খনন।
দাফনকারী দল চলে যাওয়ার পর স্থানীয়রা মরদেহ স্পর্শ করায় নতুন করে ইবোলা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কঙ্গোয় মঙ্গলবার পর্যন্ত ইবোলায় আক্রান্ত বলে সন্দেহভাজন রোগীর মোট সংখ্যা ১,০৭৭ বলে জানানো হয়েছে। ১৫ই মে প্রাদুর্ভাব ঘোষণার পর থেকে দেশটিতে ১২১ জন ইবোলা রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং ইবোলায় আক্রান্ত বলে সন্দেহভাজন ২৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ইতুরি প্রদেশে চলমান সহিংসতা এবং সে কারণে বিপুল সংখ্যক মানুষ উদ্বাস্তু হয়ে পড়ায় ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে আনার প্রচেষ্টা কঠিন হয়ে পড়েছে।
কঙ্গোতে অবস্থান করা জাতীয় দলের স্টাফদের বিশ্বকাপের জন্য অবাধে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেতে বৃহস্পতিবারের মধ্যে দেশ ত্যাগ করতে হবে।
কঙ্গোর স্বাধীনতার মহানায়ক ও দেশটির প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী প্যাট্রিস লুমুম্বাকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা বেলজিয়ামের ঔপনিবেশিক ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায় এবং আফ্রিকান দেশগুলোর মুক্তি সংগ্রামের একটি যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
কঙ্গোয় ইবোলার উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ১৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে। ভাইরাসটি শনাক্ত করতে সময় লাগার কারণে মৃত্যু আরও বাড়তে পারে- বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।