১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
২০৩৫ সালের মধ্যে এআই কীভাবে আমাদের দৈনন্দিন জীবন, ঘরবাড়ি, ব্যবসা ও পরিবেশে ব্যবহৃত হবে তার চিত্র উঠে এসেছে।
তার এ কাজে এআই কোম্পানির কর্মীরা অনুপ্রাণিত হবেন ‘কোম্পানিতে কেবল যন্ত্রের মতো কাজ না করে, বরং মানুষ হিসেবে সাহস নিয়ে কাজ করতে’।
অনেক শীর্ষস্থানীয় এআই কোম্পানি বর্তমানে এজিআই তৈরির লক্ষ্যে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে, যা নিয়ে আগে সতর্কবার্তাও দিয়েছিলেন মাস্ক।
দুটি কোম্পানি স্বর্ণপদক পাওয়ার দাবি করলেও কেবল ডিপমাইন্ড-এর ফলাফলই আয়োজকদের মাধ্যমে স্বীকৃতি পেয়েছে। এ প্রতিযোগিতায় আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নেয়নি ওপেনএআই।
চ্যাটজিপিটি’র ডেভেলপার হিসাবে কাজ করার পাশাপাশি ওপেনএআইয়ের ‘এজিআই তৈরির জন্য জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা’ হিসাবে কোম্পানিটিতে ছিলেন ব্রুন্ডেজ।
চিঠিতে যুক্তি দেওয়া হয়, বিভিন্ন কোম্পানি এখন শক্তিশালী এআই প্রযুক্তি বিকাশ করছে, যার মধ্যে রয়েছে ‘আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স (এজিআই)’ও।
“আমি বেশ কিছুদিন ধরেই কোম্পানির মূল অগ্রাধিকার নিয়ে ওপেনএআইয়ের নেতৃত্বস্থানীয় পর্যায়ের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে আসছি। তবে এখন সেই ধৈর্যের পারদ ভেঙে গেছে।”