০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বলয়গুলো মহাকাশের আলোর কোন কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্য শোষণ করছে, তা বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা সেগুলোর উপাদান সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন।
নতুন মডেল বলছে দুটো গ্রহের গভীরে বরফের তুলনায় পাথরের উপস্থিতি বড় ভূমিকা রাখছে।
নতুন চাঁদটি এতদিন লুকিয়ে থাকতে পেরেছে কেবল এর ছোট আকারের জন্য নয়, বরং ইউরেনাসের অন্যান্য চাঁদের তুলনায় এটি খুব ধীরে আলো বিচ্ছুরণ করে বলেও।
সৌরজগতের অন্যতম রহস্যময় গ্রহ ইউরেনাসকে বোঝার ক্ষেত্রে এটি বড় ধরনের অগ্রগতি বলে দাবি করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।
এসব গ্রহ দেখার সবচেয়ে ভালো সময় হচ্ছে মঙ্গলবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সূর্যাস্তের ঠিক পরেই।
গ্রহটির প্রথম ঝলক মিলেছিল ১৯৮৬ সালে, যখন ভয়জার ২ ইউরেনাস ও এর পাঁচটি চাঁদের বেশ কিছু রোমাঞ্চকর ছবি পৃথিবীতে পাঠিয়েছিল।
মিরান্ডার পৃষ্ঠের নীচে আজও তরল পানির একটি পাতলা স্তর থাকতে পারে, যা চাঁদটির ছোট আকার ও সূর্য থেকে দূরত্বের বিবেচনায় অসাধারণ এক বিষয়।
শনির বরফের বলয়ের বিপরীতে পৃথিবীর বলয়ে পাথর ছাড়া আর কিছুই তৈরি হবে না। পৃথিবী সূর্যের এতই কাছে যে, ধ্বংসাবশেষের মধ্যে বরফের টিকে থাকা অসম্ভব।