২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
এ বছর সাহিত্য একাডেমি পদক ও সম্মাননা পেয়েছেন চিকিৎসক আহমদ আল মামুন ও কথাসাহিত্যিক নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর।
১৯৫৩ সালে প্রকাশিত একুশের প্রথম সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’—যা প্রকাশের পরপরই নিষিদ্ধ হয়—তার প্রথম প্রবন্ধের লেখককে ঘিরে দীর্ঘদিন ছিল রহস্য। ‘আলী আশরাফ’ নামের আড়ালে লুকিয়ে থাকা কমরেড খোকা রায়ের পরিচয় উদ্ঘাটনের অনুসন্ধান শুধু একটি নাম খুঁজে পাওয়ার গল্প নয়; ভাষা-আন্দোলনে কমিউনিস্টদের নেপথ্য ভূমিকার দলিলও।
“আহমদ রফিক সবসময় ঐক্যবদ্ধ সাংস্কৃতিক আন্দোলনের কথা বলতেন,” বলেন ভীষ্মদেব চৌধুরী।
শুধু 'ভাষা সংগ্রামী' হিসেবে আহমদ রফিককে বিশ্লেষণ করা যাবে না, মনে করেন সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।
ইলা মিত্রের জন্ম শতবর্ষ যেন কেবল ইতিহাস নয়, দায়বোধেরও পুনরালোচনা। তার জীবনের বেদনাভারাতুর অধ্যায়গুলো, ভাষাসংগ্রামী, লেখক ও গবেষক আহমদ রফিকের ডায়েরি থেকে উঠে আসে সময়ের ধুলো পেরিয়ে।
“উনি বলতেন আর আমি লিখতাম। শুনে শুনে লিখলে তো আর ওনার মতো ভালো হয় না। এজন্য ওনার পছন্দ হইত না। লিখতে পারতেছেন না, এটা তার কাছে খুব খারাপ লাগত।”
সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শনিবার বারডেম হাসপাতাল থেকে ভাষা সংগ্রামী আহমদ রফিকের মরদেহ আনা হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে। ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি প্রথম যে শহীদ মিনারটি নির্মিত হয়েছিল, তার উদ্যোক্তাদের অন্যতম ছিলেন সেই সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী আহমদ রফিক। সেখানেই ৭৩ বছর পর শেষবারের মতো আনা হয় তার মরদেহ।
শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয় ভাষা সংগ্রামী আহমদ রফিকের মরদেহ। সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন সমাজের বিভিন্ন অঙ্গনের মানুষ। তারা বলেছেন, আহমদ রফিক বেঁচে থাকবেন তার কর্মে।