২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
জেলা প্রশাসক বলেন, আমে কোনো ধরনের রাসায়নিক বা ফরমালিন মেশানোর প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাজারে এসেছে গোবিন্দভোগ, গোপালভোগ, বোম্বাই, গোলাপখাস ও বৈশাখী জাতের আম। ১৫ মে হিমসাগর, ২৭ মে ল্যাংড়া বাজারজাত শুরু হবে।
“স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে কৃষি বিভাগও মাঠ পর্যায়ে তদারকি করছে, যাতে কৃত্রিম রাসায়নিক ব্যবহার ছাড়াই পরিপক্ব আম বাজারে আসে।”
এ বছর ৩৪ হাজার ৫০০ টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতি মণ হিমসাগর আম বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার থেকে দুই হাজার ২০০ টাকায়।
আম সংগ্রহ ও পাল্পিং কার্যক্রম চলবে অগাস্ট পর্যন্ত।
“কোনোক্রমেই অপরিপক্ক আম গাছ থেকে পাড়া যাবে না। নির্ধারিত দিনের আগেও আম পাড়া যাবে না।”
এবার নির্ধারিত তারিখের আগে অনিয়ম করে পাড়া ৫০ টন আম নষ্ট করা হয়েছে বলে জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।