২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
মন্ত্রী বলেন, বিমানের ‘ফ্লিট এক্সপ্যানশন প্ল্যান ২০২৬-২০৩৫’ অনুযায়ী ২০৩৫ সালের মধ্যে বহরে ৪৭টি উড়োজাহাজের প্রয়োজন হবে।
“ঠিকাদারদের কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে সংশ্লিষ্টদের আরো সতর্ক ও দায়িত্বশীল হতে হবে,” বলেন তিনি।
বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর নির্মাণের পাশাপাশি ১০ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে; যাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ অবতরণ করতে পারে।
কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতির পাশাপাশি বহর বাড়ানো, সেবার মান উন্নয়ন ও নতুন রুট নিয়ে সংসদে কথা বলেছেন বিমানমন্ত্রী
“বর্ষবরণ শুধু নতুন বছরের সূচনা নয়, বরং এটি আমাদের জাতীয় পরিচয়কে উপলব্ধি করার দিন।”
“যেকোনো ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।”
“সরকারের সদিচ্ছাকে কাজে লাগিয়ে বিমানকে এমন ভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে অন্যরা বিমানকে অনুসরণ করে।”
বিমানবন্দরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আফরোজা খানম।